আজকের তারিখ : | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বিসিক শিল্পনগরী'র গাছ বিক্রির অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ে ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে যুবক গ্রেফতার, মোবাইলে মিলল ৩৮ অ্যাপ শ্রীপুরে মসজিদ কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে যুবককে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখমের অভিযোগ নড়াইলে বিদ্যালয়ের প্রবেশমুখের বেহাল সড়ক, মানববন্ধনে সংস্কারের দাবি পটুয়াখালীতে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ বোচাগঞ্জে পুসাব-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন ঝালকাঠি সদর পৌরসভার সমস্যা ও সম্ভাবনা বিষয়ক নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জ পৌরসভার প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে যাতায়াত ভাতা ও সনদপত্র বিতরণ পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক জোবাইয়ের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে মানববন্ধন বোচাগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত বেড়া পৌরসভায় চালু হচ্ছে ডিজিটাল কমিউনিটি ফিডব্যাক প্ল্যাটফর্ম বালু জব্দ! কিন্তু খেকোরা ধরাছোঁয়ার বাইরে মনু নদে সেচ প্রকল্পে সৃষ্ট কৃত্তিম জলাবদ্ধতা সমাধানের দাবিতে কৃষকদের স্মারকলিপি গলাচিপা থানা পুলিশ কর্তৃক গাঁজাসহ আসামী গ্রেফতার বড়লেখায় জুলাই শহীদদের স্মরণে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপন কর্মসূচি
Banner Advertisement

বালু জব্দ! কিন্তু খেকোরা ধরাছোঁয়ার বাইরে

প্রতিবেদকের তথ্য : নিরপেক্ষ দর্পণ ডেস্ক
  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 6, 2026
  • সংবাদটি দেখেছেন: 19
ছবির ক্যাপশন :

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার সংবাদদাতা:
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে প্রায় ৮০০ ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়েছে। তবে অভিযানের খবর পেয়ে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা যায়নি। এ ঘটনায় আবারও সামনে এসেছে পুরোনো প্রশ্ন - অভিযানের আগেই কীভাবে তথ্য ফাঁস হয় এবং কেন বারবার ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যান এই অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িত অবৈধ অর্থদাতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা?

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার সড়কের সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর সেতুর উত্তর পাশে ভাড়াউড়া এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে বালু উত্তোলনকারীরা ছড়ার অপর পাড় দিয়ে পালিয়ে যান। অভিযানে বালুর পাশাপাশি বেলচা, টুকরি, স্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম বা বালূ উত্তোলনে যে সামগ্রী ব্যবহার করা হয় তা জব্দ করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্যের জিম্মায় রাখা হয়েছে।

অভিযানের তথ্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টসহ প্রশাসনের একাধিক পেজে প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, গত কয়েক মাসে একাধিক অভিযানে ট্রাক, চালক, সহকারী ও শ্রমিকদের আটক করা হলেও এই অবৈধ বাণিজ্যের মূল অর্থদাতা বা প্রভাবশালী নিয়ন্ত্রকদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা খুব কমই দেখা গেছে। মাঠপর্যায়ের কর্মীরা ধরা পড়লেও নেপথ্যের প্রভাবশালীরা থেকে যাচ্ছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন, অভিযানের আগেই কীভাবে বালু খেকোরা টের পেয়ে যান এবং তথ্য ফাঁসের উৎস কোথায়?

তাদের মতে, শুধু বালু বা সরঞ্জাম জব্দ করে অবৈধ উত্তোলন পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়। অর্থদাতা ও মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনা না গেলে অভিযান চালালেও বালু উত্তোলন বন্ধ হবে না বলে মনে করছেন তারা। ফলে ধারাবাহিক অভিযানের পাশাপাশি তথ্য ফাঁসের উৎস শনাক্ত এবং মূল হোতাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জোরালো হয়ে উঠছে। পরিবেশ প্রতিবেশ ধ্বংসকারী খেকোদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনী ব্যবস্থার জোরালো দাবি জানান সাধারণ মানুষ।

প্রিন্ট করুন ফটো কার্ড
Banner Advertisement
কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
Banner Advertisement