আজকের তারিখ : | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শ্রীপুরে ৩ বিয়ের পর পরিবারকে বঞ্চনা, স্ত্রী-সন্তানকে পিটিয়ে যখম থানায় অভিযোগ খুলনা বিভাগীয় প্রেস ক্লাব,কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক কমিটি অনুমোদন গ্যাস সংকটে চরম ভোগান্তিতে চট্টগ্রাবাসী, কটিয়াদীতে ১৬৫ শতক জমি নিয়ে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন সালথায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত মনুমুখ ইউনিয়নের সাধু হাটি গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পিটিয়ে আহত ৫ কুলাউড়া পৌর বিএনপি'র কমিটি স্থগিত ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি মাদকবিরোধী অভিযানকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে: মির্জা ফখরুল নাকে টিপলে দুধ বের হবে পাটোয়ারীর: প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করে মুন্ডুমালায় খাবার পানির সমস্যা নীলফামারী সরকারি কলেজে ছাত্রশিবিরের চিত্রপ্রদর্শনী পরিদর্শনে এমপি মাওলানা আব্দুস সাত্তার ফলন্ত গাছ কেটে ফেলার ঘটনায় তদন্ত কমিটির ঘটনাস্থল পরিদর্শন বিশ্ব বাণিজ্য ও ঝুঁকি বহনকারী সমুদ্রযাত্রীদের স্মরণে পাবনায় সমুদ্রযাত্রী দিবস উদযাপিত নড়াইলে হাইট ব্যারিয়ারে ধাক্কা, নসিমন থেকে ছিটকে গরু ব্যবসায়ীর মৃত্যু
Banner Advertisement

বাবা নেই ৩ বছর ১ মাস পাঁচ দিন ধরে কারাগারে মা,অসহায় দুই সন্তানের দিন কাটছে অপেক্ষায়

প্রতিবেদকের তথ্য : নিরপেক্ষ দর্পণ ডেস্ক
  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 29, 2026
  • সংবাদটি দেখেছেন: 59
ছবির ক্যাপশন :

মোঃ মমিন আলী, নওগাঁ জেলা সংবাদদাতা:
নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার মাহমুদপুর এলাকায় দুই শিশুর করুণ জীবনসংগ্রাম স্থানীয়দের হৃদয় স্পর্শ করেছে। তিন বছর আগে বাবাকে হারানোর পর মা-ই ছিলেন তাদের একমাত্র আশ্রয়। কিন্তু মাদক-সংক্রান্ত একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে মা গত এক মাস পাঁচ দিন ধরে কারাগারে থাকায় শিশু দুটির জীবন এখন অনিশ্চয়তা, কষ্ট ও অপেক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।

জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া নারী শেফালী রানী চৌধুরী। স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি একাই সংসার চালিয়ে ১২ বছর বয়সী ছেলে ও ৯ বছর বয়সী মেয়েকে লালন-পালনের চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু তিনি কারাগারে যাওয়ার পর শিশু দুটির দেখাশোনা করার মতো পরিবারের কোনো স্থায়ী অভিভাবক নেই।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, দুই শিশুই প্রায়ই কারাগারের সামনে গিয়ে মায়ের সঙ্গে দেখা করে আবার চোখের পানি নিয়ে ফিরে আসে। মায়ের অনুপস্থিতিতে তাদের খাবার, পড়াশোনা ও দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানো অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। প্রতিবেশীরা মানবিক কারণে যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করছেন, তবে সেটি দীর্ঘমেয়াদে যথেষ্ট নয়।

প্রতিবেশীদের একজন বলেন, “শিশু দুটির কোনো অপরাধ নেই। তারা শুধু বাবা-মায়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এখন তাদের ভবিষ্যৎ নিয়েই সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তা।”

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, শিশুদের নিরাপদ আশ্রয়, শিক্ষা এবং মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করতে সমাজসেবা অধিদপ্তর, শিশু কল্যাণ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় প্রশাসনের মানবিক উদ্যোগ প্রয়োজন।

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মাদক-সংক্রান্ত মামলার বিচারিক কার্যক্রম আইন অনুযায়ী চলবে। তবে মামলার আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি শিশু দুটির মানবিক পরিস্থিতিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার দাবি রাখে।

বাবাকে হারানোর শোক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি তারা। এরই মধ্যে এক মাস পাঁচ দিন ধরে মাও কারাগারে। প্রতিটি দিন তাদের কাছে যেন এক দীর্ঘ অপেক্ষা—কবে আবার মায়ের স্নেহের ছায়ায় ফিরে যেতে পারবে।

প্রিন্ট করুন ফটো কার্ড
Banner Advertisement
কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
Banner Advertisement