মোঃ রাসেল শেখ, জেলা সংবাদদাতা নড়াইল:
নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের দেওয়াডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ হাসুম শেখ (৩৯), পিতা: আকবর শেখ, আজ ২৬ জুলাই ২০২৬ তারিখ সকালে নিজ বসতঘরে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে দ্রুত নিকটস্থ চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, গত গভীর রাতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হাসুম শেখকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। তিনি আনুমানিক এক থেকে দেড় ঘণ্টা বাইরে অবস্থান করার পর পুনরায় বাড়িতে ফিরে এসে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন সকালে তাকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া গেলে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয় এবং সেখানে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।
ঘটনাটি এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা ধরনের আলোচনা ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
এদিকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রয়োজনীয় সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পন্ন করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এ ঘটনায় তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।ড়াইলের কালিয়া উপজেলায় এক ব্যক্তির রহস্যজনক মৃত্যু, তদন্ত চলছে
মোঃ রাসেল শেখ, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল
নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের দেওয়াডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ হাসুম শেখ (৩৯), পিতা: আকবর শেখ, আজ ২৬ জুলাই ২০২৬ তারিখ সকালে নিজ বসতঘরে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে দ্রুত নিকটস্থ চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, গত গভীর রাতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হাসুম শেখকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। তিনি আনুমানিক এক থেকে দেড় ঘণ্টা বাইরে অবস্থান করার পর পুনরায় বাড়িতে ফিরে এসে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন সকালে তাকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া গেলে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয় এবং সেখানে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।
ঘটনাটি এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা ধরনের আলোচনা ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
এদিকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রয়োজনীয় সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পন্ন করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এ ঘটনায় তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রিন্ট করুন
ফটো কার্ড
এ জাতীয় আরো খবর..