কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা:
অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় নিজের নাম এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নাম জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন মো. শাহজালাল সবুজ। তিনি এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান।
শনিবার (২ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক লিখিত প্রতিবাদলিপিতে শাহজালাল সবুজ বলেন, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে প্রকৃত দায়ীদের আড়াল করার উদ্দেশ্যে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এসব প্রচারণার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই এবং তার ব্যক্তিগত সুনাম ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই এ ধরনের অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
শাহজালাল সবুজ প্রকৃত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,ভিশন এন্টারপ্রাইজ সম্পূর্ণভাবে রফিকুল ইসলাম (রাজারহাট)-এর একক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানের ২০১৫ সালের ট্রেড লাইসেন্স, ব্যাংক হিসাব, চেকের একমাত্র স্বাক্ষরকারী এবং ব্যাংক হিসাবের নমিনি—সবই রফিকুল ইসলামের একক নামে রয়েছে। এসব তথ্যের সমর্থনে তিনি সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংযুক্ত করেছেন বলেও উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, যে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ভিশন এন্টারপ্রাইজের নামে আর্থিক লেনদেন হয়েছে, সেটি ২০১৫ সালে একক মালিকানার ট্রেড লাইসেন্সের ভিত্তিতে খোলা হয়। অথচ অংশীদারিত্বের চুক্তির বিষয়টি আসে ২০২০ সালে। তাই একক মালিকানার ওই প্রতিষ্ঠানকে পরবর্তীকালের কথিত অংশীদারিত্বের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এক করে দেখানোর সুযোগ নেই বলে তিনি দাবি করেন।
প্রতিবাদলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সালে ভিশন এন্টারপ্রাইজের নামে ইউনাইটেড ফাইন্যান্স পিএলসি থেকে ৩৫ লাখ টাকা ঋণ গ্রহণ করা হয়। ওই ঋণের গ্যারান্টর হিসেবে রফিকুল ইসলামের স্ত্রী রিজিয়া সুলতানা এবং সাক্ষী হিসেবে তার বড় ভাই রাশেদুল ইসলাম ও স্ত্রীর বড় ভাই আতিকুর রহমান স্বাক্ষর করেন। যদি প্রতিষ্ঠানটি প্রকৃত অর্থে অংশীদারিত্বের হতো, তাহলে অন্যান্য অংশীদারদেরও ঋণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকার কথা ছিল বলে তিনি দাবি করেন।
শাহজালাল সবুজ বলেন, আমি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাই, প্রকৃত ঘটনা যাচাই করে সত্য প্রকাশ করুন। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে ব্যক্তি বা কোনো সংগঠনের সুনাম ক্ষুণ্ন করা থেকে বিরত থাকুন।
এবিষয়ে জানতে ভিশন এন্টারপ্রাইজের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করার জন্য তাকে ফোন দিলে তার ব্যাক্তিগত নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।
প্রিন্ট করুন
ফটো কার্ড
এ জাতীয় আরো খবর..