মোঃ ইলিয়াছ খান ফরিদপুর জেলা সংবাদদাতা:
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে প্রতারণা চালাচ্ছেন মোহাম্মদ ছারোয়ার হোসেন মাতুব্বর। স্থানীয়দের কাছে তিনি একজন জনপ্রিয় জনদরদী ব্যক্তি হিসেবে সকলের মন জয় করে নিয়েছেন। তিনি মূলত নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী ও মানবিক কর্মকান্ডের জন্য সোনাপুর ইউনিয়নবাসীর কাছে সব থেকে বেশী জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
স্থানীয় সত্যে জানা যায়, তিনি একজন সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মোহাম্মদ ছারোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক উন্নয়ন মানবিক সেবামূলক কাজে নিজেকে যুক্ত রেখেছেন। তিনি তার নিজ উদ্যোগে ইউনিয়নের বিভিন্ন কাঁচা - পাকা সড়কের সংস্কার, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তার অবদান রেখেছেন, মসজিদ, মন্দির, কবরস্থান সহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের সংস্কারের সহযোগিতা করেছেন বলে দাবি করেন সাধারণ জনগণ, এছাড়াও অসহায় রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা, প্রতিবন্ধীদের হুইলচেয়ার প্রধান শীতার্ধ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, অসহায় মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ ও আর্থিক সহযোগিতা এবং দরিদ্র পরিবারের জন্য কর্মসংস্থানের সহায়তার মত কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছে বলে জানা যায়। সরকারি বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা ও কর্মসূচি যেমন, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা ও মাতৃকালীন ভাতা পেতে সাধারণ মানুষকে আবেদন ও প্রক্রিয়াগত সহায়তা করার কোথাও জানান সোনাপুর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ। তিনি শুধু সোনাপুর নয় রামকান্তপুর ইউনিয়নের তেলিসালথা গ্রামের মোঃ জিয়ার সেক কেও বিপুল পরিমাণ অর্থ আর্থিক সহযোগিতা করেছেন এ ব্যাপারে জিয়ার বলেন আমি যতদিন বেঁচে থাকব ততদিন একটা কথাই সারা জীবন ভুলে যাব যদি তোমরা কেউ ভালো মানুষকে চিনতে চাও তাহলে ছারোয়ার মতো দিকে তাকাও। কারণ সে আমাকে চলার জন্য একটি গাড়ি নির্মাণ করার জন্য যে সহযোগিতা করেছেন তা আমি বলে বোঝাতে পারবো না, তাই আমি দোয়া করি আল্লাহ তা'আলা যেন তার মনের আশা পূরণ করেন এবং তাকে যেন সোনাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে কবুল করলেন।
দরজা ফুকরা নিবাসী মরহুম বাচ্চু সেখের স্ত্রী তিনি জানান ছরোয়ার মামা আমাকে একটি ঘর করে দিয়েছেন এবং সালথা তান্ডবের মামলার ধরপাকোড় এর সময় আমার স্বামী বেঁচে ছিলেন ভ্যান চালিয়ে আমাদের সংসার চালাতো তিনি পুলিশের ভয়ে বাড়ি থাকতে পারেননি তখন খাদ্য সহায়তা সহ সকল প্রকার সহযোগিতা করেছেন ওই ছারোয়ার মামা আমরা কখনোই তার এই ঋণ শোধ করিতে পারিব না। চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ ছরোয়ার হোসেন বলেন, জন্মেছি, একদিন মরতেও হবে। কিন্তুু আমার মৃত্যুর পর মানুষ যেন আমার ভালো কাজের জন্য আমাকে স্মরণ করে, এই লক্ষণ এই মানুষের পাশে আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ। মানুষের দুঃখে পাশে দাঁড়াতে পারলেই আমার শান্তি।
তিনি আরো বলেন, আমি কোন সরকারি দায়িত্বে ছিলাম না। নিজের সামর্থ্য ও নিজস্ব অর্থায়নে যতটুকু সম্ভব মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। করোনা মহামারী সময় কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী নগদ অর্থ ও ঔষধ বিতরণ করেছি।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চেয়ারম্যান হওয়ার লক্ষ্য শুধু ক্ষমতা নয়, মানুষের সেবা করা, সোনাপুর ইউনিয়নবাসী যদি আমাকে সুযোগ দেয়, তাহলে সোনাপুর ইউনিয়নকে একটি উন্নয়ন ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে ও গড়ে তুলতে কাজ করব ইনশাল্লাহ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের এক অংশ জানান, বিভিন্ন সময় ছরোয়ার হোসেনকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে। বিশেষ করে চিকিৎসা সহায়তা ও জরুরি আর্থিক সহযোগিতা ক্ষেত্রে তিনি এগিয়ে আসেন বলে দাবি করেন তারা। সর্বশেষে তিনি বলেন" আমার ইউনিয়নের সাধারণ মানুষই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আমি তাদের ভালোবাসা দোয়া ও সমর্থন নেই আমি সামনে এগিয়ে যেতে চাই। ইউনিয়নের যেখানেই যে কোন ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েন তাকে সুস্থ করতে যা কিছু প্রয়োজন সবকিছু দিয়ে সহযোগিতা করে থাকেন এই ছরোয়ার হোসেন, শুধু তাই নয় ইউনিয়নের বাহিরেও অন্যান্য ইউনিয়নের যে সকল ব্যক্তিরা তার কাছে সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়েছেন তিনি প্রত্যেককেই সহযোগিতা করেছেন যেমন রামকান্তপুর ইউনিয়নের রামকান্তপুর গ্রামের মোঃ সাজেদুল জানান আমি অনেকদিন যাবত অসুস্থ ছিলাম। আমি যখন ছারোয়ারের কাছে গিয়ে আমার অসুস্থতার কথা বলি তিনি দ্রুতই আমাকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেছেন আমি সেই অর্থ দিয়েই চিকিৎসা নিয়ে এখন পরিপূর্ণ সুস্থ আছি,
প্রিন্ট করুন
ফটো কার্ড
এ জাতীয় আরো খবর..