নিজস্ব প্রতিবেদক:
দৈনিক অগ্রযাএা পএিকার সম্পাদকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মুক্ত গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব শ্রীপুর উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
অনতিবিলম্বে এই সাংবাদিকদের সত্য প্রচারে বাধাদান করার জন্য মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চাই,এবং করতে হবে।
তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন-এর সম্পাদক ও প্রকাশক মেহেদী হাসান, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকীসহ প্রতিষ্ঠানের চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়েরের ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রকাশিত সংবাদে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলমের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অনিয়ম ও দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগ জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য ও অনুসন্ধানের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অথচ এসব অভিযোগের তথ্যগত জবাব না দিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে একটি মাদক ব্যবসায়ীকে দিয়ে মামলা করানোর অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিষয়টি সত্য হয়ে থাকলে এটি কেবল কয়েকজন সাংবাদিককে হয়রানি করার অপচেষ্টা নয়, বরং স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মুক্ত গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত।
একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণমাধ্যমের প্রধান দায়িত্ব হলো জনস্বার্থে সত্য উদঘাটন করা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরা। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জবাব মামলা, ভয়ভীতি বা হয়রানির মাধ্যমে দেওয়া হলে তা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবিধানস্বীকৃত সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পরিপন্থী।
আমরা সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি আহ্বান জানাই, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করা হোক এবং স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক। একই সঙ্গে এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
দেশের সাংবাদিক সমাজ, মানবাধিকার সংগঠন, সুশীল সমাজ এবং গণতন্ত্রে বিশ্বাসী সকল নাগরিকের প্রতি আমরা আহ্বান জানাই, স্বাধীন ও মুক্ত গণমাধ্যম রক্ষার এই ন্যায্য আন্দোলনে সোচ্চার হোন।
আমরা চাই স্বাধীন ও মুক্ত গণমাধ্যম।
সত্য প্রকাশের অধিকার রুদ্ধ করা যাবে না।
হয়রানিমূলক মামলার মাধ্যমে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের অপচেষ্টা বন্ধ করতে হবে।